আমরা বিশ্বাস করি অনলাইন বেটিং হওয়া উচিত সহজ, স্বচ্ছ এবং নিরাপদ। 7d7 তৈরিই হয়েছে বাংলাদেশের মানুষের কথা মাথায় রেখে — তাদের ভাষায়, তাদের পেমেন্ট পদ্ধতিতে, তাদের পছন্দের খেলাধুলায়।
7d7-এর প্রতিটি সিদ্ধান্তের পেছনে তিনটি মূল নীতি কাজ করে।
বাংলাদেশের প্রতিটি কোণের বেটারকে একটি আন্তর্জাতিক মানের বেটিং অভিজ্ঞতা দেওয়া — যেখানে ভাষা, পেমেন্ট এবং সাপোর্ট সবকিছু তার নিজের মতো। 7d7-এ কোনো কিছু বুঝতে গুগল ট্রান্সলেটের দরকার পড়ে না।
এমন একটি ডিজিটাল পরিবেশ তৈরি করা যেখানে বাংলাদেশের মানুষ নিজের পছন্দের ক্রিকেট বা ফুটবল ম্যাচে নিরাপদে বেট করতে পারেন, ফলাফল যাই হোক না কেন জানেন যে তার টাকা সুরক্ষিত।
7d7 কখনো লুকানো শর্ত দিয়ে ব্যবহারকারীকে বিভ্রান্ত করে না। প্রতিটি বোনাস, প্রতিটি লেনদেন এবং প্রতিটি নিয়ম সরল বাংলায় লেখা থাকে যাতে যে কেউ পড়ে বুঝতে পারেন।
অনেক বেটিং সাইট আছে যারা বাংলাদেশে সেবা দেয়, কিন্তু পেমেন্ট পদ্ধতি থেকে শুরু করে ইন্টারফেস পর্যন্ত সবকিছু ইংরেজিতে বা অন্য ভাষায়। 7d7-এ প্রথম দিন থেকেই বাংলা ভাষাকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে।
7d7-এ প্রতিটি লেনদেন SSL এনক্রিপশনের মাধ্যমে সুরক্ষিত। আপনার ব্যক্তিগত তথ্য কখনো তৃতীয় পক্ষের কাছে বিক্রি বা শেয়ার করা হয় না। দুই স্তরের যাচাইকরণ (2FA) আপনার অ্যাকাউন্টকে আরও নিরাপদ রাখে।
যেকোনো সমস্যায় 7d7-এর সাপোর্ট টিম সবসময় প্রস্তুত। লাইভ চ্যাটে সাধারণত ২ মিনিটেরও কম সময়ে সাড়া পাওয়া যায়। ইমেইল বা ফোনেও যোগাযোগ করা যায়।
7d7 বিশ্বাস করে যে বেটিং হওয়া উচিত বিনোদনের একটি অংশ, জীবনের বোঝা নয়। তাই আমরা ব্যবহারকারীদের নিজেদের সীমা নির্ধারণ করার সুবিধা দিই এবং সমস্যা হলে সাহায্য পাওয়ার পথ খোলা রাখি।
কোনো লুকানো শর্ত নেই, কোনো অস্পষ্ট নিয়ম নেই।
দ্রুত লোডিং, দ্রুত পেমেন্ট, দ্রুত সাপোর্ট।
প্রতিটি প্রতিশ্রুতি রক্ষা করা আমাদের প্রথম দায়িত্ব।
প্রতিনিয়ত উন্নতি করছি ব্যবহারকারীর মতামত নিয়ে।
ব্যবহারকারীর তথ্য ও অর্থ সুরক্ষায় কোনো আপোস নেই।
মজার সীমা জানি এবং সেটা রক্ষা করতে সাহায্য করি।
7d7-এর যাত্রা শুরু হয়েছিল একটি সহজ প্রশ্ন থেকে — বাংলাদেশের মানুষ কি সত্যিই তাদের পছন্দের ক্রিকেট ম্যাচে নিরাপদে বেট করতে পারছেন? উত্তরটা তখন ছিল না। আন্তর্জাতিক সাইটে ভাষার সমস্যা, পেমেন্টের জটিলতা, এবং সাপোর্টে বাংলায় কথা বলার সুযোগ না থাকা — এগুলো ছিল মানুষের দৈনন্দিন হতাশা।
সেই হতাশা থেকেই জন্ম নিয়েছিল 7d7। প্রথম দিকে শুধু ক্রিকেট বেটিং নিয়েই কাজ শুরু হয়েছিল, কারণ বাংলাদেশে ক্রিকেটই সবার প্রাণের খেলা। ধীরে ধীরে ফুটবল, ক্যাবাডি, টেনিস এবং ই-স্পোর্টস যোগ হয়েছে।
7d7-এর সবচেয়ে বড় শক্তি হলো তার ব্যবহারকারীরা। প্রতি সপ্তাহে হাজার হাজার মানুষ তাদের মতামত জানান — কী ভালো লাগছে, কী পরিবর্তন চাই। সেই মতামতের ভিত্তিতে নিয়মিত আপডেট আসে। অ্যাপের বায়োমেট্রিক লগইন ফিচারটা এসেছিল ব্যবহারকারীদের দাবিতেই।
বর্তমানে 7d7-এ ৫ লাখের বেশি নিবন্ধিত সদস্য আছেন। ঢাকা থেকে রংপুর, চট্টগ্রাম থেকে সিলেট — সারা বাংলাদেশ থেকে মানুষ প্রতিদিন 7d7-তে বেট করছেন। বিকাশে মাত্র ৳৫০০ দিয়ে শুরু করা যায়, আর জিতলে সেই টাকা ১৫ মিনিটের মধ্যে ফেরত পাওয়া যায়।
আমাদের সার্ভার বাংলাদেশের পিক টাইমের কথা মাথায় রেখে সজ্জিত — বিশ্বকাপের সময় যখন লক্ষ মানুষ একসাথে বেট করতে চান, তখনও সাইট স্লো হয় না। এটা নিশ্চিত করতে বছরের পর বছর ধরে ইন্টারনেট অবকাঠামোতে বিনিয়োগ করা হয়েছে।
7d7 সর্বদা দায়িত্বশীল বেটিং সমর্থন করে। যদি কখনো মনে হয় বেটিং আপনার জীবনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে, তাহলে দায়িত্বশীল খেলা পেজ থেকে সাহায্য নিন।
ক্রিকেট বেটিং নিয়ে 7d7-এর পথচলা শুরু। প্রথম মাসেই ১,০০০ নিবন্ধন।
মোবাইল ব্যাংকিং সংযুক্ত হওয়ায় ব্যবহারকারী সংখ্যা তিনগুণ বাড়ে।
লয়্যালটি প্রোগ্রাম ও ক্যাশব্যাক সিস্টেম যোগ হয়।
Android ও iOS অ্যাপ মুক্তি পায়। প্রথম সপ্তাহেই ৫০,০০০ ডাউনলোড।
7d7 বাংলাদেশের সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল বেটিং প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়।
১০ বছরের ফিনটেক অভিজ্ঞতা। বাংলাদেশের ডিজিটাল পেমেন্ট খাতের অগ্রদূত।
সাইবার নিরাপত্তায় বিশেষজ্ঞ। 7d7-এর সিকিউরিটি আর্কিটেকচারের রূপকার।
৫০০ জনের সাপোর্ট টিম পরিচালনা করেন। গড় প্রতিক্রিয়া সময় ২ মিনিটে নামিয়ে এনেছেন।
আন্তর্জাতিক মানের অডস নির্ধারণে অভিজ্ঞ। ক্রিকেট ডেটা বিশ্লেষণে বিশেষজ্ঞ।
৫ লাখের বেশি মানুষ ইতিমধ্যে 7d7 বেছে নিয়েছেন। নিবন্ধন করুন, প্রথম ডিপোজিটে ১৫০% বোনাস পান।